স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা ১নং ইসলামপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের পূর্ব রহমতপুর। আব্দুল জলিল আলোর দিশারী একাডেমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ পুরুষ্কার বিতরনীও মরহুম আশদ আলী সাহেবের স্বরণে ঈসালে সাওয়াব দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানটি একাডেমির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৫ শে মার্চ বিকাল ৪:৩০ মিনিটে। ইসলামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানে আব্দুল হেকিম সাহেবের সভাপতিত্বে একাডেমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ পুরুষ্কার বিতরনী ও মোঃ আশদ আলী স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল
অনুষ্ঠিত হয়। ক্বারী সালমান হোসেনের সঞ্চালনায়,
সভায় শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন একাডেমির ছাত্র মোঃ জুনাইদ আহমদ। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং ইসলামপুর ইউনিয়নের জননেতা এডভোকেট সুফি আলম সোহেল।
প্রধান আলোচক ছিলেন জনাব মাওলানা কওছর উদ্দিন সাহেব,দ্বীনেরটুক দারুল কোরআন ফাজিল মাদ্রাসা।
বিশেষ বক্তা ছিলেন জনাব মাওলানা আশিকুর রহমান সাহেব, সহকারী অধ্যাপক সৈয়দপুর শামছিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। জনাব মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সাহেব,সুপার,বনগাঁও জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা। জনাব রফিকুল ইসলাম সাহেব,প্রধান শিক্ষক, সোনালী চেলা উচ্চ বিদ্যালয়।জনাব মাওলানা ফয়জুল ইসলাম আকদ্দুস সহেব,ইবতেদায়ী প্রধান,নরসিংপুর আদর্শ হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা। জনাব মাওলানা আখতার হোসেন সাহেব,সুপার, নাছিমপুর বাজার দাখিল মাদ্রাসা। জনাব মাওলানা সেলিম আহমেদ সাহেব, সুপার, রহিমের পাড়া, এস,জি,এস দাখিল মাদ্রাসা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ফখরুল ইসলাম,সুপার, মানিকপুর লতিফিয়া দারুল কোরআন দাখিল মাদ্রাসা। জনাব ইসলাম উদ্দিন মেম্বার ১নং ওয়ার্ড। জনাব আবুল বাশার টেইলার, সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী। জনাব ইলিয়াস আলী, সভাপতি, সীমান্তীক জনকল্যাণ সংস্থা। জনাব ডাঃ আব্দুল কদ্দুস -জিহাদ, পরিচালক, রেবা ফার্মেসী, নাছিমপুর বাজার। মোঃ শাহিদ আহমদ, প্রধান শিক্ষক, কাজির গাওঁ এইচ আর এফ প্রাথমিক বিদ্যালয়। মাওলানা আঃ রহিম সাহেব।
ছাতক অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, জাহাঙ্গীর আলম মেহেদী, মোহাম্মদ আলী, জাহেদ আহমদ, রমজান আলী, আব্দুল শাত্তার কালামিয়া। মোস্তফা, সহ প্রমুখ।
প্রসঙ্গঃ-
আব্দুল জলিল আলোর দিশারী একাডেমি যাত্রা শুরু হয় ০১ জানুয়ারী ২০২৪সাল। ৫০ জন ছাত্র ছাত্রী নিয়ে প্রথম শ্রেনি হইতে দ্বিতীয় শ্রেনি পযর্ন্ত কার্যক্রম শুরু করছিলেন। এখন ২০২৫ সালে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৮০ জন নিয়ে নিয়মিত ক্লাস চলছে। পূর্ব রহমতপুর গ্রামের পশ্চিম দিকে ইছামতি নদী উত্তর দিকে মরানদী ও পূর্ব দক্ষিণে বিল হাওর বর্ষা মৌসুমে আসলে দেখা যায় ঐ গ্রামটি একটি দ্বীপের মত। কিন্তু বর্ষাকালে ভারত মেঘালয় থেকে মেনে আশা পাহাড়ী ঢলে প্রায় ছয় মাস বন্যায় প্লাবিত থাকে। ঐ গ্রামের জনসংখ্যা ২০০ এর উপরে বর্ষা কাল আসলে ঐ গ্রামের কোমলমতি শিশুদের লেখা পড়া করার জন্য নদী ও বিল পারাপার খুবই ঝুকিপূর্ণ।
ঐ গ্রামের মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন তিনি তার গ্রামের মুরব্বিদের নিয়ে আলোচনা করে আব্দুল জলিল আলোর দিশারী একাডেমি নামে একটি প্রতিষ্টান চালু করেন। তিনি নিজ বাড়িতে তাহার দুইটি রুমে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পাঠদান শুরু করেন। আব্দুল জলিল আলোর দিশারী একাডেমির প্রতিষ্টাতা এম, এ, ক্বারী মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন। তিনি এখন কুয়েত প্রবাসী, মুঠোফোনে মাাওলানা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যে ওনি একাডেমির জন্য নাকি জায়গাও কিনছেন কিছু দিনের ভিতরে ঐ জায়গায় একাডেমির ভবন নির্মাণ করবেন।
এ সময় অতিথিবৃন্দ আব্দুল জলিল আলোর দিশারী একাডেমীর শিক্ষা কার্যক্রমের ভূয়সি প্রশংসা করেন এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি ও সফলতা কামনা করেন। এতে ৮০জন ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ, পুরস্কার ও ছাত্রীদের মধ্যে রোরকা
বিতরণ করা হয়। পরিশেষে দোয়ার মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।